সর্বশেষঃ
সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন সেনাবাহিনীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনা শিক্ষা শুধুই চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও: প্রধান উপদেষ্টা বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সিইসির বৈঠক শুরু ভারতের সেনাপ্রধানের ঘোষণা: বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রয়েছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৫৩ জন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৫৩ জন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়: অর্থ উপদেষ্টা এক দফা কমার পরে আবারও বেড়ে গেল সোনার দাম সরকারের প্রকল্প বরাদ্দ কমে ২ লাখ কোটি টাকায় পুনর্নিযুক্ত সোনার দাম রেকর্ড ভেঙে ভরি ২ লাখ ৩২ হাজারের বেশি
৫ ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জে হাইকোর্টে রিট

৫ ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জে হাইকোর্টে রিট

সংকটে পড়া পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক একীভূত করার সরকারের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সাধারণ বিনিয়োগকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার মাহসিব হোসাইন এ রিট আবেদন করেন। রিটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থসচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি একীভূতকরণ প্রক্রিয়াটির গুরুত্বপূর্ণ বিবাদী করা হয়েছে।

২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের ৯ তারিখে সংকটে পড়া এই পাঁচ ব্যাংকের একীভূতির প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ব্যাংকগুলো হলো- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামিক ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামিক ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামিক ব্যাংক। এই পাঁচটি ব্যাংকের সফল একীভূতির মাধ্যমে একটি শরিয়াহভিত্তিক নতুন ব্যাংক গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

নতুন ব্যাংকের জন্য দুটি নাম প্রস্তাব করা হয়েছে— ‘ইউনাইটেড ইসলামিক ব্যাংক’ এবং ‘সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক’। এই ব্যাংকটি বাণিজ্যিক দিক থেকে পরিচালিত হবে পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ মূল ঘোষণায় কেউ চাকরি হারাবেন না এবং কোনো আমানতকারী তার টাকা হারাবেন না। প্রাথমিকভাবে নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ধরা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যা পরিশোধিত মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এই ব্যাংকটি গঠন ও পরিচালনার জন্য পাঁচটি ব্যাংকের সব দায়-দায়িত্ব ও সম্পত্তি গ্রহণ করা হবে।

ফান্ডিং এর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১০ হাজার কোটি টাকা নগদে প্রদান এবং বাকি ১০ হাজার কোটি টাকা সুকুক বন্ড ছাড়ার মাধ্যমে সংগৃহীত হবে।

সুকুক হলো শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি বন্ড, যা সুদভিত্তিক বন্ডের বিকল্প। এটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো আইনি চুক্তিপত্র।

এ ছাড়াও প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীদের শেয়ার দিয়ে মোট ১৫ হাজার কোটি টাকা মূলধনে রূপান্তর করা হবে বেইল-ইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যাতে করে মানহীন ঋণ পরিশোধের পরিবর্তে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ধারণ করেন। পরবর্তীতে রেজল্যুশন পরিকল্পনা অনুসারে এটি টাকা হিসেবে ফেরত দেয়া হবে আমানতকারীদের।

প্রাথমিকভাবে, এই ব্যাংকটি সরকারি মালিকানায় থাকবে। তবে ধাপে ধাপে তা বেসরকারি খাতের হাতে হস্তান্তর করা হবে। সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে, পাঁচ বছরের মধ্যে এই ব্যাংকটি সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতে চলে যাবে।

ব্লকচেইন ও একীকরণ প্রক্রিয়ায় এই ব্যাংকের রূপান্তরটি নির্ভরযোগ্যতা ও স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক কমবে এবং ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা দ্রুত ফেরত দেয়া সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Shipon tech bd